বাংলাদেশে আপনার ওয়েবসাইটে মোটামুটি কত টাকা লাগবে, এখনই দেখে নিন। অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে না, কোনো বাধ্যবাধকতাও নেই।
হিসাব টাকায়। এটা শুধু ওয়েবসাইট বানানোর খরচের জন্য।
কেমন সাইট, কয়টা পাতা, কেমন ডিজাইন, আর কী কী বাড়তি লাগবে বেছে নিন। টাকার অঙ্ক সাথে সাথে বদলে যাবে।
একই কাজের দুটো সাইটের দামেও অনেক ফারাক হতে পারে। কারণগুলো এই।
পাঁচ পাতার পরিচিতি সাইট আর বিশ পাতার অনলাইন দোকান, দুটো একদম আলাদা কাজ। প্রতিটা পাতার ডিজাইন, বানানো আর পরীক্ষায় সময় লাগে। কাজ যত বড়, খরচ তত বেশি, তাই কম পাতা দিয়ে শুরু করাটাই অনেক সময় বুদ্ধিমানের কাজ।
সাধারণ ডিজাইনে টেমপ্লেটের মতো সাজানো পাতা। মাঝারিতে কিছু অংশ আলাদা করে বানানো। প্রিমিয়াম মানে পুরোটাই আপনার জন্য নতুন করে আঁকা, ছোট ছোট অ্যানিমেশন, ব্র্যান্ডের সাথে মিলিয়ে। দামের সবচেয়ে বড় ফারাক প্রায়ই এখান থেকেই আসে, আর টাকা খরচের মতো জায়গাও এটাই।
অনলাইনে টাকা নেওয়া, লগইন, অ্যাডমিন প্যানেল, বাংলা-ইংরেজি দুই ভাষা, Google-এর জন্য সেটআপ। প্রতিটায় খরচ বাড়ে, সাইটের কাজও বাড়ে। নিয়মটা সোজা: শুরুতে যা না হলেই নয়, শুধু সেটুকু নিন। মানুষ কীভাবে ব্যবহার করছে দেখে পরে বাকিটা যোগ করুন।
উপরের ক্যালকুলেটর যে হিসাবে চলে, এই অঙ্কগুলোও সেই হিসাবেই। সব দাম টাকায়, আর সবই পাকা দাম: ঘণ্টা ধরে বিল নেই, মাঝপথে কাজ বাড়িয়ে দাম বাড়ানোও নেই।
* এগুলো শুরুর দিকের আন্দাজ। আপনার কাজের সাথে মিলিয়ে আরও কাছাকাছি অঙ্ক পেতে উপরের ক্যালকুলেটরটা ব্যবহার করুন।
বাজেট ঠিক করতে ক্যালকুলেটরের আন্দাজ কাজে লাগে। শেষ দামটা আরেকটু মাপা হয়।
লোকে সাধারণত যেভাবে বানায়, সেই হিসাবে একটা ভরসাযোগ্য সীমা দেয়। বেশিরভাগ কাজ এর মধ্যেই পড়ে। বিস্তারিত কথা বলার আগে বাজেট ভাবতে এটা ভালো শুরু।
আপনার লেখা, ব্র্যান্ড আর বিশেষ কী কী লাগবে, তা নিয়ে অল্প একটু কথা বা মেসেজের পর লিখিত পাকা দাম পাবেন। পরে হঠাৎ কিছু যোগ হয় না, ঘণ্টার বিলও জমে থাকে না।
Abiflow Labs-এর প্রতিটা কাজের দাম আর সময় কাজ শুরুর আগেই লিখিতভাবে ঠিক হয়। আমাদের যত সময়ই লাগুক, আপনার খরচ ঠিক ততটাই থাকে যতটা বলা হয়েছিল।